
জ্বালানি সংকট ও রক্ষণাবেক্ষণ সমস্যায় উৎপাদন কমে যাওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে ,দেশের বিদ্যুৎ খাতে নতুন করে সংকটের আভাস মিলছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সারাদেশে মোট ৩৩টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ রয়েছে। এর মধ্যে আজ খুলনা অঞ্চলের আরও ৬টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, জ্বালানি ঘাটতি, যন্ত্রপাতির ত্রুটি এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এসব বিদ্যুৎ কেন্দ্র উৎপাদন বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছে। ফলে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।
খুলনা অঞ্চলের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে লোডশেডিং ইতোমধ্যেই বেড়ে গেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দিনে একাধিকবার বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হচ্ছে, যা সাধারণ জীবনযাত্রা ও ব্যবসা-বাণিজ্যে বিরূপ প্রভাব ফেলছে।
উত্তর পত্র টিভি -ছবি
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। আমরা দ্রুত সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করছি।”
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনে নির্ভরযোগ্য জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত না করা গেলে সামনে লোডশেডিং আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। একইসঙ্গে বিকল্প জ্বালানি উৎসের ওপর গুরুত্ব বাড়ানোরও পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
এদিকে, আসন্ন গরম মৌসুমে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়তে থাকায় সংকট আরও প্রকট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই এখনই প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ।
বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায়, দেশব্যাপী লোডশেডিং বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ অবস্থায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ এবং জনগণকে সচেতনভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহারের আহ্বান জানানো হচ্ছে।