আসন্ন ঈদুল আজহায় টানা ৭ দিনের সরকারি ছুটি - Uttorpatro TV

আসন্ন ঈদুল আজহায় টানা ৭ দিনের সরকারি ছুটি

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: মে ৮, ২০২৬
ছবি- উত্তরপত্র টিভি

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশের সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর নিয়ে এলো সরকার। ২০২৬ সালের এই ঈদকে কেন্দ্র করে টানা সাত দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামী ২৫ মে থেকে ৩১ মে ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত টানা সাত দিন সরকারি ছুটি কার্যকর থাকবে। এর ফলে দেশের সরকারি দপ্তরগুলোতে দীর্ঘ এক ছুটির আমেজ বিরাজ করবে। তবে এই দীর্ঘ ছুটি সমন্বয়ের লক্ষ্যে কিছু কর্মদিবসে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ছুটির ঘাটতি পূরণে আগামী ২৩ ও ২৪ মে (শনিবার ও রবিবার) সকল সরকারি অফিস খোলা রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর মধ্যে ২৩ মে সাধারণত সাপ্তাহিক ছুটির দিন হলেও বিশেষ এই সমন্বয় পরিকল্পনার কারণে ওই দিনও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিস করতে হবে।

একই বৈঠকে জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘জাতীয় পাবলিক টয়লেট নীতিমালা ২০২৬’-এর খসড়া চূড়ান্তভাবে অনুমোদন করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের উদ্যোগে প্রণীত এই নীতিমালার মূল লক্ষ্য হলো সারাদেশে স্বাস্থ্যসম্মত ও মানসম্মত পাবলিক টয়লেটের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা।

সরকারের এই নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে পাবলিক টয়লেটের ব্যবহার, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার বিষয়ে দেশব্যাপী সচেতনতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে। বিশেষ করে নারী, শিশু, বয়স্ক এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ সুবিধাসম্পন্ন টয়লেট নির্মাণে জোর দেওয়া হয়েছে এই নীতিমালায়।

নতুন নীতিমালায় পরিবেশ সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে যেকোনো ভৌত অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্পে নারীদের জন্য পৃথক টয়লেট রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এছাড়া জলাশয়ের দূষণ রোধে প্রতিটি টয়লেটের জন্য বাধ্যতামূলক সেফটি ট্যাংক নির্মাণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে বর্জ্য সরাসরি নদী বা খালে মিশতে না পারে।

শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিচ্ছন্নতা এবং স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট পাঁচটি মন্ত্রণালয়কে যৌথভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এই প্রচারণামূলক কার্যক্রমে অংশ নেবে।