জবি উপাচার্যের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাদা দলের বিবৃতি - Uttorpatro TV জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. রইছ উদ্দীনকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অবমাননাকর মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দল।

জবি উপাচার্যের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাদা দলের বিবৃতি

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: মে ৭, ২০২৬
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছবি: প্রথম আলো

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) উপাচার্য অধ্যাপক মো. রইছ উদ্দীনকে লক্ষ্য করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলমান নেতিবাচক ও বিতর্কিত প্রচারণার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন ‘সাদা দল’। বুধবার রাতে সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক মো. আজম খান স্বাক্ষরিত এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রতিবাদ জানানো হয়।

বিবৃতিতে শিক্ষকরা উল্লেখ করেন, সম্প্রতি বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে উপাচার্যকে নিয়ে যেসব কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা হচ্ছে, তা কেবল তাঁর ব্যক্তিগত মর্যাদাই ক্ষুণ্ণ করছে না, বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক শিক্ষার পরিবেশকেও কলুষিত করছে। এ ধরনের শব্দচয়ন ও আচরণ একজন শিক্ষক এবং উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানের প্রতি চরম অনভিপ্রেত ও অগ্রহণযোগ্য।

সাদা দলের পক্ষ থেকে বলা হয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত হওয়াটি ছিল শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার প্রতিফলন। ছাত্র সংসদের মূল লক্ষ্য হওয়ার কথা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন এবং শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, ছাত্র সংসদের বর্তমান কিছু কর্মকাণ্ড শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয় বলে মনে করছেন শিক্ষক নেতারা।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক অভিভাবক এবং ছাত্র সংসদের সভাপতি হিসেবে উপাচার্যের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করাই শিক্ষার্থীদের দায়িত্ব। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সামাজিক মাধ্যমে যে ধরনের বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে, তাতে উপাচার্যের কর্মস্পৃহা ও ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

সাদা দল সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্র সংসদ নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছে, শিক্ষক ও উপাচার্যের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়—এমন যেকোনো কার্যকলাপ থেকে সবার বিরত থাকা উচিত। ইচ্ছাকৃতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করা প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যতের জন্য মঙ্গলজনক হবে না।

শিক্ষক নেতারা আশা প্রকাশ করেন যে, ছাত্র সংসদের সদস্যরা দায়িত্বশীল আচরণের পরিচয় দেবেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়কে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে গঠনমূলক ভূমিকা পালন করবেন।