wp_enqueue_scripts, admin_enqueue_scripts, or login_enqueue_scripts hooks. This notice was triggered by the core-js handle. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 3.3.0.) in /home/kmovi/uttorpatrotv.com/wp-includes/functions.php on line 6131wp_enqueue_scripts, admin_enqueue_scripts, or login_enqueue_scripts hooks. This notice was triggered by the core-js handle. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 3.3.0.) in /home/kmovi/uttorpatrotv.com/wp-includes/functions.php on line 6131

ত্যা মামলায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক পরিচালক অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আফজাল নাছেরের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
জুলাই আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর মিরপুরে দেলোয়ার হোসেনকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করেছিল পুলিশ।
এরপর মামলা তদন্তের জন্য তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
গত ৩০ মার্চ রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস-এর একটি বাসা থেকে আফজাল নাছেরকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে ছাত্র-জনতার সঙ্গে ভিকটিম দেলোয়ার হোসেন মিরপুর-১০ নম্বর ফলপট্টিতে অবস্থান নেন। এ সময় এজাহারনামীয় আসামিসহ অজ্ঞাতনামা ৫০০ থেকে ৭০০ জন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ-সংগঠনের লোকেরা শান্তিপূর্ণ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমন ও নিপীড়নের জন্য দেশীয় অস্ত্রসহ বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বিভিন্ন দিক হতে ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে দেলোয়ার হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়েন।
পরে ভুক্তভোগীকে রক্তাক্ত অবস্থায় জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে পরদিন ২০ জুলাই উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানীর শ্যামলীর সিটি কেয়ার জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২১ জুলাই দেলোয়ার হোসেন মৃত্যুবরণ করেন।
এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ৬ জুলাই মিরপুর মডেল থানায় দেলোয়ারের স্ত্রী লিজা বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।