সুন্দরগঞ্জে কন্যাশিশু দিবস পালিত, র‍্যালি-আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ - Uttorpatro TV

সুন্দরগঞ্জে কন্যাশিশু দিবস পালিত, র‍্যালি-আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: October 13, 2026

জয়ন্ত সাহা যতন, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা):
কন্যাশিশুর অধিকার প্রতিষ্ঠা, বৈষম্যহীন পরিবেশ নিশ্চিতকরণ ও তাদের মেধা-প্রতিভার বিকাশে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ের আয়োজনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে কন্যাশিশুর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, অধিকার সংরক্ষণ এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইফফাত জাহান তুলি। তিনি বলেন, কন্যাশিশুর প্রতি বৈষম্য দূর করে তাদের জন্য নিরাপদ, শিক্ষাবান্ধব ও বৈষম্যহীন পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। কন্যাশিশুরা যেন শিক্ষা গ্রহণ, নিজেদের প্রতিভা বিকাশ এবং সমাজের সর্বক্ষেত্রে সমান সুযোগ লাভ করতে পারে, সে বিষয়ে পরিবার, সমাজ ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন হতে হবে।
উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শাহনাজ আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন একাডেমিক সুপারভাইজার মো. বেলাল হোসেন, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) বাদল কুমার বর্মন বুলু, আইসিটি কর্মকর্তা কৃষ্ণ কুমার, সুন্দরগঞ্জ প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জয়ন্ত সাহা যতন, উপজেলা জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক আল শাহাদাত জামান জিকো সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে একটি র‍্যালি বের করা হয়। পরে আলোচনা সভায় বক্তারা কন্যাশিশুর অধিকার রক্ষা, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণ, স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তি, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ এবং নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা বন্ধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বক্তারা বলেন, কন্যাশিশুরা পরিবার, সমাজ ও দেশের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাদের যথাযথ শিক্ষা, নিরাপত্তা ও বিকাশের সুযোগ নিশ্চিত করা গেলে তারা ভবিষ্যতে দক্ষ ও আত্মবিশ্বাসী নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে। এ জন্য কন্যাশিশুর প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলার পাশাপাশি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এর মধ্য দিয়ে কন্যাশিশুদের উৎসাহিত করা এবং তাদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশে অনুপ্রেরণা জোগানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।