নিজস্ব প্রতিবেদক | উত্তরপত্র টিভি
রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এলাকায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাত পৌনে ১১টার দিকে জাদুঘরের সামনের সড়কে এ ঘটনা ঘটে। এতে এক সিএনজিচালক আহত হয়েছেন। বিস্ফোরণের পর তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. ইবনে মিজান ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দুর্বৃত্তরা ঘটনাস্থল লক্ষ্য করে দুটি ককটেল নিক্ষেপ করে। এর মধ্যে একটি বিস্ফোরিত হয় এবং সেটি একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার ওপর পড়ে। এতে ওই অটোরিকশার চালক আহত হন।
প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বুধবার রাতে শেরেবাংলা নগরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের সামনের সড়কে হঠাৎ ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। রাত পৌনে ১১টার দিকে বিস্ফোরণটি ঘটলে ওই এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হয়।
এ ঘটনায় আহত সিএনজিচালকের নাম ও পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। বিস্ফোরণের পর তাঁকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়। তাঁর শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনাটি কী উদ্দেশ্যে ঘটানো হয়েছে, কারা এর সঙ্গে জড়িত এবং তাঁদের লক্ষ্য কী ছিল—এসব বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।
ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার মো. ইবনে মিজান জানান, দুর্বৃত্তরা দুটি ককটেল নিক্ষেপ করেছিল। এর মধ্যে একটি বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরিত ককটেলটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার ওপর পড়ায় চালক আহত হন।
পুলিশের এই কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী, ঘটনাস্থলে কোনো সিসিটিভি ক্যামেরা নেই। ফলে সরাসরি ওই স্থান থেকে ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহের সুযোগ নেই বলে জানা গেছে।
তবে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। এসব ফুটেজ পর্যালোচনা করে সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের চলাচল বা ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো তথ্য পাওয়া যায় কি না, তা খতিয়ে দেখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ঘটনার পর ককটেল নিক্ষেপে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের ডিসি মো. ইবনে মিজান।
তদন্তের স্বার্থে আশপাশের এলাকার ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ ও পর্যালোচনা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত সন্দেহভাজন কারও পরিচয়, গ্রেপ্তার কিংবা ঘটনার পেছনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
ককটেল নিক্ষেপের মতো ঘটনা জননিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে সড়কে চলাচলকারী চালক, যাত্রী ও পথচারীরা এ ধরনের বিস্ফোরণের ঘটনায় সরাসরি বিপদের মুখে পড়তে পারেন। এ ঘটনায় একজন সিএনজিচালক আহত হওয়ার তথ্যও সেই ঝুঁকির বিষয়টি সামনে এনেছে।
তবে ঘটনার সঙ্গে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সম্পৃক্ততা সম্পর্কে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাচ্ছে না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তের মাধ্যমে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যেতে পারে।
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের সামনে ঘটে যাওয়া এ বিস্ফোরণের পর এখন মূলত তিনটি বিষয় গুরুত্ব পাচ্ছে—আহত চালকের শারীরিক অবস্থা, ককটেল নিক্ষেপকারীদের পরিচয় এবং ঘটনার পেছনের কারণ।
পুলিশ আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা করছে। এসব ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ঘটনার আগে ও পরে সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের গতিবিধি সম্পর্কে কোনো সূত্র পাওয়া যায় কি না, তা তদন্তের অংশ হতে পারে।
এদিকে আহত সিএনজিচালকের নাম-পরিচয় এবং তাঁর চিকিৎসার সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি। একইভাবে নিক্ষেপ করা দ্বিতীয় ককটেলটির পরিণতি সম্পর্কেও পুলিশের বক্তব্যে বিস্তারিত তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তদন্তের অগ্রগতি, আহত ব্যক্তির অবস্থা এবং ঘটনার কারণ সম্পর্কে নতুন তথ্য পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।
উত্তরপত্র টিভি
Copyright © 2026 Uttorpatro TV. All rights reserved.